বুধবার, মে ১৩, ২০২৬

তারেক রহমান: ১৭ বছরের ত্যাগ ও অর্জন

উত্তর জনপদ ডেস্ক : ২৪ মার্চ ২০২৬ ১২:১৭ পূর্বাহ্ন মতামত
উত্তর জনপদ ডেস্ক : ২৪ মার্চ ২০২৬ ১২:১৭ পূর্বাহ্ন
তারেক রহমান: ১৭ বছরের ত্যাগ ও অর্জন

দীর্ঘ নির্বাসন শেষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন ও সরকার পরিচালনার কেন্দ্রে আভির্ভূত হওয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। প্রায় ১৭ বছর দেশের রাজনৈতিক মাঠে শারীরিক অনুপস্থিতি, একের পর এক মামলার চাপ এবং নানা ধরনের রাজনৈতিক টানাপোড়েন পেরিয়ে তার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও ক্ষমতার শিখরে আরোহণ জাতীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে।


দেশে এসে তিনি সরাসরি সক্রিয় নেতৃত্বে ফিরে এসে দলীয় কাঠামোকে পুনর্গঠনের পাশাপাশি জাতীয় রাজনীতিতে বিএনপির অবস্থানকে আরও সুসংহত করার উদ্যোগ নেন। তার প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়, যা বিএনপির রাজনৈতিক কৌশল ও গতিপথে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে, আর এই প্রভাবেরই ফল মেলে ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে।


যেখানে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের মাধ্যমে সরকার গঠন করে।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে তারেক রহমানের রাজনৈতিক যাত্রা নতুন এক পর্যায়ে প্রবেশ করে। জনগণের বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুদায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন তিনি। তার দীর্ঘ সংগ্রাম, বিতর্ক ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে আসা এই অধ্যায় বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।


তার এই উত্থান শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে।

দীর্ঘ প্রবাসজীবন ও নেতৃত্বের অবিরাম সংগ্রাম

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি বিতর্কিত ‘ওয়ান-ইলেভেন’ সরকারের জরুরি অবস্থা জারির পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে ‘মাইনাস ফর্মুলা’র আলোচনা ঘনীভূত হয়, সেই প্রেক্ষাপটে অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তু ছিলেন তারেক রহমান। ওই বছরের ৭ মার্চ তিনি গ্রেপ্তার হন এবং পরবর্তীতে শারীরিকভাবে নিপীড়িত হন। প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান।


সেখান থেকেই শুরু হয় তার দীর্ঘ প্রবাসজীবন, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে পরিণত হয়।

প্রবাসে অবস্থান করলেও দলের সঙ্গে তার রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক সংযোগ কখনোই বিচ্ছিন্ন হয়নি। ২০১৮ সালে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাবন্দি হলে লন্ডন থেকেই ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি বিএনপির নেতৃত্ব গ্রহণ করেন এবং সংগঠনকে পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ায় সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মকে কাজে লাগিয়ে তিনি তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত নেতাকর্মীদের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগ বজায় রাখেন। এই সাংগঠনিক ধারাবাহিকতা ও কৌশলগত সমন্বয়ের ফলে দলটি বিভিন্ন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আন্দোলন-সংগ্রামকে বিস্তৃত করতে সক্ষম হয়, যা ধীরে ধীরে ২০২৪ সালের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ গতিশীলতা তৈরি করে।


স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের দমন-পীড়নের মধ্যেও বিএনপি সুসংহত আন্দোলন চালিয়ে যায়। ছাত্র আন্দোলন থেকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে, যা চূড়ান্ত রূপ নেয় ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক ‘জুলাই বিপ্লবে’। যে বিপ্লব পতন ঘটায় প্রায় সাড়ে ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের। উন্মুক্ত হয় গণতন্ত্রের প্রত্যাবর্তনের দরজা।

ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন ও এক অপূরণীয় ক্ষতি

ফ্যাসিবাদের পতনের পর দেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক চর্চার পথ খুলে গেলে দীর্ঘ ৬ হাজার ৩১৪ দিনের প্রবাসজীবনের অবসান ঘটিয়ে গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরে আসেন তারেক রহমান। সেদিন কুড়িলের ‘৩৬ জুলাই এক্সপ্রেস’ সড়কে তাকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়। ওই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে লাখো মানুষের উপস্থিতি তার প্রতি জনসমর্থনের একটি স্পষ্ট প্রতিফলন হিসেবে রাজনৈতিক মহলে বিবেচিত হয়।


তবে এই প্রত্যাবর্তনের আনন্দঘন মুহূর্ত অল্প সময়ের মধ্যেই গভীর শোকাবহ হয়ে ওঠে। দেশে ফেরার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় ৩০ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন তার মা ও সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। এই ব্যক্তিগত শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে তিনি দলীয় ঐক্য সুদৃঢ় করার দিকে মনোযোগ দেন এবং বিএনপির অভ্যন্তরীণ নেতৃত্বে স্থিতিশীলতা আনার প্রয়াস চালান। পরবর্তীতে ৯ জানুয়ারি দলের স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন, যার মাধ্যমে তার নেতৃত্বের নতুন অধ্যায় রাজনৈতিক অঙ্গনে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: অভাবনীয় ভোট বিপ্লব

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নির্বাচন কমিশন ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করলে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে ৩১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার সামনে রেখে মাঠে নামে বিএনপি। অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের মধ্যে ২১২টিতে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে দল।


ঢাকা ও বগুড়ার দুটি আসন থেকে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তারেক রহমান। নির্বাচনের এই ফলাফল নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মূল্যায়ন হলো, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বাস্তবতা, খালেদা জিয়ার প্রয়াণে সৃষ্ট জনমনে আবেগ এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির সাংগঠনিক পুনরুত্থান মিলিয়ে একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, যার প্রতিফলন দেখা যায় ভোটের ফলাফলে।


প্রতিহিংসার কফিনে পেরেক: এক নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও উত্তেজনার আবহে একটি ভিন্নধর্মী বার্তা দিতে সক্ষম হয়েছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয়লাভের পর তিনি প্রচলিত রাজনৈতিক সংস্কৃতির বাইরে গিয়ে কোনো ধরনের বিজয় মিছিল বা আনুষ্ঠানিক উদযাপন না করার নির্দেশ দেন। বরং দেশব্যাপী মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় এবং দোয়া মাহফিল আয়োজনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।


এছাড়া রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি সম্পর্ক উন্নয়নের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা নাহিদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন। যা দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একটি নতুন ধারার সূচনা করে। নির্বাচনের বিজয় পরবর্তী প্রথম সংবাদ সম্মেলনে তার অবস্থান ছিল স্পষ্ট, ‘বিরোধ যেন প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসায় রূপ না নেয়’। এই ধরনের অবস্থানকে অনেকে রাজনৈতিক অঙ্গনে সহনশীলতা, সংলাপ ও সহাবস্থানের একটি সম্ভাব্য পথ হিসেবে দেখছেন, যা ভবিষ্যতের রাজনীতিতে ভিন্ন মাত্রা যোগ করতে পারে।


জনবান্ধব উদ্যোগ ও ‘স্মার্ট’ নেতৃত্ব

সরকার গঠনের এক মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে কয়েকটি দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয় তারেক রহমানের প্রশাসন, যা জনমনে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর উদ্যোগ বিশেষভাবে আলোচিত হয়। একই সঙ্গে প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে সরকারি দপ্তরে শৃঙ্খলা ও কর্মসংস্কৃতি জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। শনিবার ছুটির দিনেও দাপ্তরিক কাজে সক্রিয় উপস্থিতি নিশ্চিত করে সরকারপ্রধান একটি ভিন্নধর্মী বার্তা দেন, যা আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়াস হিসেবে দেখা হচ্ছে।


কৃষি খাতে আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে ‘স্মার্ট এগ্রিকালচার’ ধারণা, শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা ঋণ এবং প্রযুক্তিভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়নের উদ্যোগকে কেন্দ্র করে একটি ভবিষ্যতমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। এসব কর্মসূচি দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নেতৃত্বের এই ধারা বয়স বা অভিজ্ঞতার বাইরেও চিন্তার আধুনিকতা ও বাস্তবমুখী দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন হিসেবে রাজনৈতিক বিশ্লেষণে উঠে আসছে।


সামনের পাহাড়সম চ্যালেঞ্জ

অর্জনের পাশাপাশি নতুন সরকারের সামনে বাস্তবতা হলো একাধিক কাঠামোগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা। দীর্ঘ সময়ের অর্থনৈতিক চাপ, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এবং বিনিয়োগে আস্থার ঘাটতি পুনরুদ্ধার করা এখন অন্যতম অগ্রাধিকার। একই সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে।


আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষা, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল রাখা সরকারের নীতিনির্ধারণী সক্ষমতার ওপর নির্ভর করবে। এই প্রেক্ষাপটে অভ্যন্তরীণ সংস্কার ও বৈশ্বিক কূটনীতির সমন্বয় ঘটিয়ে এগিয়ে যাওয়াই বর্তমান প্রশাসনের জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


‘তারেক রহমান এখন কোটি মানুষের প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দু’

তারেক রহমানের রাষ্ট্রনায়ক হয়ে ওঠার বিষয়ে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক রাজনৈতিক মামলায় দীর্ঘদিন পরবাসে থাকতে হয়েছে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে। তবে তিনি তার এই সময়কে দেশের রাজনীতি ও জনগণের জন্য প্রতিনিয়ত অতিবাহিত করেছেন। এই সময়ে তারেক রহমান নিজেকে একজন রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে প্রস্তুত করেছেন। অর্থনীতি সচল করা এবং দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ।’


মির্জা ফখরুল আরও বলেন, নির্বাসন থেকে ক্ষমতার শিখরে আরোহণ করা তারেক রহমান এখন কোটি মানুষের প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দু। 


প্রবাসজীবনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন কি না—সেদিকেই তাকিয়ে এখন পুরো দেশ।


এ বিষয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী প্রফেসর গোলাম হাফিজ বাংলানিউজকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের বাইরে থেকে যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, বর্তমানে তার শতভাগ প্রতিদান পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে গতানুগতিক কর্মকাণ্ডের বাইরে গিয়ে ব্যতিক্রমধর্মী কিছু কর্মকাণ্ড দৃশ্যমান করেছেন, যার ফলে তিনি মানুষের হৃদয়ে স্থান করতে সক্ষম হয়েছেন। এই ধারা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুণগত পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে।