সংসদে নওগাঁর ছয় নতুন মুখ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে নওগাঁ জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বিএনপি ও একটি জামায়াত ইসলামী বিজয়ী হয়েছেন। নির্বাচিত এ ছয়জনই প্রথমবারের মতো সংসদে যাচ্ছেন।
নির্বাচিতরা হলেন, নওগাঁ-১ (সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর) আসনের বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ-২ (ধামইরহাট ও পত্নীতলা) আসনের জামায়াত ইসলামীর মো. এনামুল হক, নওগাঁ-৩ (বদলগাছী ও মহাদেবপুর) আসনের বিএনপির মো. ফজলে হুদা, নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনের বিএনপির ইকরামুল বারী টিপু, নওগাঁ-৫ (নওগাঁ সদর) আসনের বিএনপির জাহিদুল ইসলাম ধলু এবং নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের বিএনপির শেখ মো. রেজাউল ইসলাম।
নওগাঁ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য মতে, নওগাঁ-১ মোস্তাফিজুর রহমান ধানের প্রতীকে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৮৬৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮১৬ ভোট। এ আসনে মোট ভোটার ছিল ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৬৫জন।
নওগাঁ-২ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৪১ হাজার ৫২৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মো. এনামুল হক। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সামসুজ্জোহা খান ধান শীষ প্রতীকে ভোট পেয়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৩৩।
এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৭২ হাজার ৪৩৬।
নওগাঁ-৩ আসনে মো. ফজলে হুদা ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৮৮৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাহফুজুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৪২১ ভোট। এ আসনে ভোটার ৪ লাখ ৪০ হাজার ৭৮৫জন।
নওগাঁ-৪ আসনে একরামুল বারী টিপু ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯২৪ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জেলা জামায়াতের আমির আব্দুর রাকিব ভোট পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৫৮৫। এ আসনে ভোটার ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৬০।
নওগাঁ-৫ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে জাহিদুল ইসলাম ধলু ১ লাখ ২৯ হাজার ৩৮৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৭৪৭ ভোট।
এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৬৩ হাজার ৩০।
নওগাঁ-৬ আসনে শেখ মো. রেজাউল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৮ হাজার ৮৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খবিরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯৭ হাজার ৬২৯ ভোট পেয়েছেন। এখানে ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৪১৬।
নতুন এ ছয় জনপ্রতিনিধি সংসদে গিয়ে নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের বিষয়ে কথা বলবে এমন প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের।